Printed on Wed Nov 25 2020 10:29:03 PM

করোনা শনাক্তের এক বছর: কেড়েছে ১৩ লাখের বেশি প্রাণ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
বিশ্ব
এক বছর
এক বছর
আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে এই ১৭ নভেম্বরেই চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে থাবা বসিয়েছিল করোনা। এই দিনে আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল এক। তার পর কেটে গেছে এক বছর। এখন গোটা বিশ্বে সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৫ কোটিতে। আর মৃত্যু ১৩ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি।

বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দিন ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির দেহে প্রথম এই ভাইরাসের সন্ধান মেলে। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই সংখ্যা ২৭ এ পৌঁছায়। ২০ ডিসেম্বরে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬০। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারিতে চীনে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছায় ৩৮১ তে। উহানকে করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করার পরই ২৩ জানুয়ারি সেখানে লকডাউন জারি করা হয়।

ভয়ানক ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে, এই ইঙ্গিতটা আগেই দিয়েছিলেন লি ওয়েনলিয়াং নামে চীনেরই এক চিকিৎসক। অভিযোগ, তাতে কর্ণপাত করেনি প্রশাসন। বিষয়টি চেপে যাওয়ারও অভিযোগ ওঠে। উহানে যখন সংক্রমণ প্রতি দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল, সঙ্গে মৃত্যুও, চিন প্রশাসন তখন ঘোষণা করে নতুন একটি ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তত দিনে উহানে মৃত্যুমিছিল শুরু হয়ে গেছে। চীনের অন্য প্রদেশগুলো থেকেও সংক্রমণের খবর আসতে শুরু করে। দিশেহারা চীন তখন একে একে বিভিন্ন প্রদেশে লকডাউনের পথে নামে। কিন্তু তাতেও সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব হয়নি। বছরের শুরুতেই করোনা সংক্রমণের শীর্ষে পৌঁছে যায় চীন।

ততদিনে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তেও থাবা বসাতে শুরু করেছে করোনা। ১০ ফেব্রুয়ারি গোটা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছায় ৪২ হাজার ৮০০। ১ মার্চের মধ্যে এক লাখ ছাড়িয়ে যায় সংক্রমণ। দৈনিক আক্রান্তও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল মৃত্যুর সংখ্যাও। ২৬ মার্চ ৫ লাখ ছাড়িয়ে যায় আক্রান্তের সংখ্যা। তত দিন দৈনিক আক্রান্ত ৬০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। প্রতি দিন মৃত্যু হচ্ছিল প্রায় ৩ হাজার মানুষের।

একে একে ইউরোপ, এশিয়া এবং আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি করোনার হটস্পট হয়ে ওঠে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। তারপর যত সময় গড়িয়েছে সংক্রমণ তত তীব্র হয়েছে। ২০২০-র মাঝামাঝি সময়ে দেখা যায়, যে চীন থেকে করোনার সূত্রপাত তারাই এই মহামারিকে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। তত দিনে ইউরোপ এবং আমেরিকায় করোনার পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ভারতসহ এশিয়ার অন্য দেশগুলোতেও সংক্রমণ চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। একটা সময় আমেরিকা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে বিশ্বে শীর্ষ স্থানে পৌঁছে যায়। আজ পর্যন্ত শীর্ষস্থানেই রয়েছে আমেরিকা। সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। এর পর রয়েছে ব্রাজিল, ফ্রান্স এবং রাশিয়া। সবচেয়ে লক্ষ্যণীয় যে বিষয়টি তা হল, এই এক বছরের মধ্যে চীন সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষ স্থান থেকে ৬০ নম্বর স্থানে নেমে এসেছে। মৃত্যুর নিরিখে ৩৬তম স্থানে রয়েছে তারা।

আরও পগুন: বিসিবিতে করোনার হানা, অনুশীলন বন্ধ

ভয়েস টিভি/এসএফ
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/23881
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2020 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ