Printed on Sat Jun 19 2021 3:46:46 AM

বিশ্বের শক্তিশালী যত গোয়েন্দা সংস্থা

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
বিশ্ব
গোয়েন্দা
গোয়েন্দা
ফরেন পলিসি পত্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে তুখোড় ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এসব সংস্থার অসাধ্য কোনো কাজ নেই বললেই চলে। নিজের দেশের বাইরে পৃথিবী জুড়ে রয়েছে তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। যত কষ্টই হোক এসব গোয়েন্দা সংস্থা তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয় না।

জার্মানির গেলেন অর্গানাইজেশন, সিআইএ, এসভিআর, এমআই৬, মিনিস্ট্রি অফ স্টেট সিকিউরিটি, র, আইএসআই, মোসাদ আর বিএনডি ছাড়াও ফ্রান্সের ডিজিএসই, অস্ট্রেলিয়ার এসআইএস ও ক্যানাডার সিএসআইএস-ও বিশ্বের তুখোড় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

সিআইএ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

১৯৪৭ সালে সিআইএ-র জন্ম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে নজরদারি চালাতেই মূলত এই সংস্থার জন্ম। বর্তমানে, অ্যামেরিকার হ্যালিফ্যাক্স শহরে কেন্দ্রীয় দপ্তর রয়েছে সিআইএ-র। খবর চালাচালি ছাড়াও একাধিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে এই সংস্থার নাম।

এসভিআর, রাশিয়া

সোভিয়েট ইউনিয়নের পতনের পর সাবেক রুশ গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি ভেঙে বেশ কয়েকটি ছোট সংগঠন তৈরি করা হয়। এসভিআরের জন্ম ১৯৯১ সালের সেই সময়ে।৷ মার্কিন সূত্রের মতামত, সাবেক কেজিবি-কর্মকর্তা ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতায় আসার পর থেকে এসভিআরের কর্মক্ষমতা আরো বেড়েছে।

এমআই৬, যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসেরই জনপ্রিয় নাম ‘এমআই৬’-এর জন্ম ১৯০৯ সালে। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন গোয়েন্দা সংস্থা এটি। লন্ডনের এসআইএস বিল্ডিয়ে অবস্থিত এমআই৬ এককালে পরিচিত ছিল অক্সফোর্ড বা কেমব্রিজের মতো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মী নিয়োগ করার জন্য। পাশাপাশি জেমস বন্ড ছবির সিরিজেও ছিল এমআই৬-এর অনেক প্রভাব।

মিনিস্ট্রি অফ স্টেট সিকিউরিটি, চীন

চীনের গুপ্তচরবৃত্তির ধরন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য পশ্চিমা দেশের সংস্থার থেকে ভিন্ন বলে মনে করছে ফরেন পলিসি। চীনা পদ্ধতি এতটাই ভিন্ন যে, একটি নির্দিষ্ট সংস্থার বদলে চীনা গুপ্তচররা সাধারণ ছাত্র, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশে থাকে। ফলে, তাদের খুঁজে বের করাও হয়ে পড়ে কঠিন।

র, ভারত

১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল পাকিস্তান বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করা। কিন্তু বর্তমানে এই সংস্থার সাথে জড়িয়েছে বহু বিদেশি অপারেশনের কাহিনী। দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংগঠন ‘র’।

আইএসআই, পাকিস্তান

ফরেন পলিসি জানাচ্ছে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ ছাড়াও ভারতের বিষওয়ে এই সংস্থা বিশেষভাবে সক্রিয়। শুধু তাই নয়, ২০০৬ সালে মুম্বাইতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার সাথেও জড়িয়েছে আইএসআই-এর নাম। অন্যদিকে, সিআইএ-র সাথে মিলে জঙ্গি দমনেও আইএসআই-এর সক্রিয়তার কথা উঠে এসেছে।

মোসাদ, ইসরায়েল

১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সাথে জড়িত রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তদন্তের গল্প। ১৯৬০ সালে যুদ্ধাপারাধী আইচমানের গ্রেপ্তারি থেকে ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে হামলার তদন্ত, মোসাদের সাফল্যের রয়েছে অনেক উদাহরণ। ইহুদিদের ইসরায়েলে প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে বিরাট অবদান রেখে আসছে মোসাদ, জানাচ্ছে ফরেন পলিসি।

ভয়েস টিভি/এসএফ
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/45358
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ