Printed on Fri May 14 2021 5:17:01 PM

পুলিশ সুপারের বাসভবন যেন ঘুঘুর অভয়াশ্রম

নুর আলম, নীলফামারী
সারাদেশ
ঘুঘুর
ঘুঘুর
‘এখানে ঘুঘুর ডাকে অপরাহ্নে শান্তি আসে মানুষের মনে’ রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ‘এখানে ঘুঘুর ডাকে’ কবিতার এ চরণটি মাথায় রেখেই হয়তো নিজ বাসভবনকে ঘুঘু পাখির অভয়ারণ্য করার চিন্তা আসে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার সিদ্দিক তাঞ্জিলুর রহমানের। তার বাসভবনে ৩০টি পাখি বাসা বেঁধেছে। পাখিদের সুরক্ষায় সতর্ক থাকেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরাও।

সৈয়দপুর শহরের অফিসার্স কলোনি এলাকায় সরকারি কোর্য়াটারে পরিবার নিয়ে বাস করেন রেলওয়ে পুলিশ সুপার। দুই একরেরও বেশি জায়গা নিয়ে এই বাসভবনের ভেতরে রয়েছে মনোরম বাগান।

পুলিশ সুপারের বাসভবনের পাশে রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক, অফিসার্স ক্লাব এবং মাঝে বিমান বন্দর সড়কের অবস্থান। বাসভবনে ঘুঘু ছাড়াও বাসা বেঁধেছে টিয়া, লক্ষ্মী পেচাঁ, বাজপাখি, শালিকসহ নানা জাতের পাখি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ সুপার বাসভবনের সামনে গোলঘর, গেট, লিচু বাগান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কুলার সর্বত্র বাসা বেঁধেছে ঘুঘু পাখি। পাখির বাসার কারণে এয়ার কন্ডিশনার(এসি) চালানো বন্ধ রেখেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এছাড়া অভিযোগ নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের সঙ্গে গোলঘরে বসে আলাপ করার কথা থাকলেও সেখানে পাখির বাসা থাকায় এখন আর তিনি সেখানে বসেন না। এমনকি লিচু গাছেও স্প্রে করা বন্ধ রেখেছেন পুলিশ সুপার।

পুলিশ সুপার সিদ্দিক তাঞ্জিলুর রহমান জানান, গরম সত্বেও এসি ছাড়তে পারছি না। অভিযোগ নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের সঙ্গে গোলঘরে বসা হচ্ছে না। কেউ উচ্চস্বরে কথা বলছেন না। লিচু বাগানে ফল এসেছে। এসময় কীটনাশক স্প্রে করতে হয় কিন্তু আমি আমার লোকদের তাও নিষেধ করেছি।

তিনি বলেন, ঘুঘু পাখির চরম শক্র হলুদ তালুয়া পাখি। ওই পাখি যাতে ঘুঘুর ডিম খেয়ে না ফেলে এজন্য বাসভবনে পুলিশ পাহারা বসিয়েছি। পালাক্রমে বিরামহীন খোঁজ রাখছেন তারা। আমি নিজেও এনিয়ে তদারক করছি।

আরও পড়ুন: সবজির কেজি লাখ টাকা!

আরও পড়ুন: জমা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না সিনহা হত্যার তদন্ত রিপোর্ট

ভয়েস টিভি/এসএফ
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/41887
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ