Printed on Sun May 09 2021 8:43:36 AM

ইসরাইলে মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন দৃষ্টিনন্দন একাধিক মসজিদ

অনলাইন ডেস্ক
ধর্ম
দৃষ্টিনন্দন
দৃষ্টিনন্দন
ইহুদি অধিকৃত দেশ ইসরায়ইল। দেশটির দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ধর্ম ইসলাম। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনের ভূমিতে বসবাস শুরু করে উদ্ভাস্তু ইহুদি জাতি। এরপর ক্রমে ফিলিস্তিনিদের উৎখাত করে তাদের ভূমি দখল করে গড়ে তোলে ইসরাইল রাষ্ট্র। পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিম দেশ এখনো তাদের স্বীকৃতি দেয়নি। মুসলমানদের দ্বিতীয় কাবা বা বাইতুল আকসা মসজিদটি জেরুজালেমে অবস্থিত। এ শহরটিও এখন ইহুদিদের দখলে।

জেরুজালেম শুধু মুসলামনদের পবিত্র ভূমি নয়, ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের পবিত্র নগরীও এটি।

বর্তমানে ইহুদি অধ্যুষিত হলেও একসময় মুসলমানদের তীর্থ ভূমি ছিল এটি। এখনো ইসরাইলে মুসলামনদের অনেক প্রাচীন নিদর্শন বর্তমান। রয়েছে দৃষ্টিনন্দন অনেকগুলো মসজিদও।

মসজিদ

জেরুজালেমের সেপুলক্রি গির্জার ঠিক পাশেই ওমরের মসজিদ। ১১৯৩ সালে সুলতান আল আফদাল ইবনে সালাহ আদ-দীন আফদাল আলি এই মসজিদ নির্মাণ করেন। বলা হয়, খলিফা ওমর তার জেরুজালেম সফরের সময় এই স্থানে এলে তাকে গির্জায় প্রার্থনা করতে বলা হয়েছিল। তিনি তাতে রাজি হননি। পরে তার জন্য গির্জার পাশেরই একটি অঞ্চলকে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়। ১৪৫৮ সালের ভূমিকম্পের পরে মসজিদটির মিনার নির্মাণ হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

মসজিদ

ইসরাইলের একর শহরের এল-জাজার স্ট্রিটে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদের নাম এল-জাজার মসজিদ। এটির আরেক নাম ‘সাদা মসজিদ’। মসজিদে ব্যবহৃত সাদা পাথরের দেওয়ালের কারণে এই নাম। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা আহমদ পাশা এল-জাজারের নামেই এই রাস্তা ও মসজিদের নামকরণ। ১৭৮১ সালে এই মসজিদ তৈরি হয় বলে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আহমদ পাশা এবং তার পালিত পুত্র সুলাইমান এই মসজিদের পাশেই শায়িত আছেন।

আরও পড়ুন: ফেনীতে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য ও ক্যালিওগ্রাফী

মসজিদ

ইসরাইলের হাইফা শহরে অবস্থিত মাহমুদ মসজিদটি প্রথম নির্মাণ করা হয় ১৯৩১ সালে। পরবর্তীতে সত্তরের দশকে তা পুননির্মাণ করেন আহমদিয়া মুসলিমরা। আহমদিয়াদের দ্বিতীয় খলিফা মির্জা বশির-উদ-দিন মাহমুদ আহমদের নামেই এই মসজিদের নামকরণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে ‘আহমদিয়া মস্ক’ নামের একটি ওয়েবসাইটে। মসজিদটির বৈশিষ্ট্য এর দুটি মিনার, যা প্রায় ৩৫ মিটার উঁচু।

মসজিদ

১৯১৬ সালে জাফা অঞ্চলে হাসান বেক মসজিদটি তৈরি করেন তৎকালীন গভর্নর হাসান বে আল-বাসরি। স্থাপত্য শৈলিতে অনিন্দ সুন্দর এ মসজিদটির রয়েছে সুউচ্চ একটি মিনার। এছাড়ার মসজিদের মাঝখানে একটি গোলাকৃতির মিনার এর সৌন্দর্য কয়েক গুণ বাড়িয়েছে।

মসজিদ

জাফা অঞ্চলের মাহমুদিয়া মসজিদটিই সবচেয়ে বড় । ১৭৩০ সালে এই মসজিদ তৈরির ফরমান জারি হলেও কাজ শেষ হতে হতে উনিশ শতক পর্যন্ত লেগে যায়। বর্তমান মসজিদটি ১৮১২ সালে তৈরি। তেল আবিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই মসজিদটির চারপাশে রয়েছে নানা ধরনের পণ্যের বাজার। এছাড়া সাদা মার্বেল পাথরে তৈরি হওয়ায় মসজিদটি সবার নজর কাড়ে সহজেই।

আরও পড়ুন: শুধু তাজমহল নয়, শাহজাহানের অমর কীর্তি দিল্লির জামে মসজিদও

ভয়েস টিভি/এসএফ
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/39025
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ