Printed on Wed Oct 20 2021 3:55:20 PM

নতুন গবেষণা: ইনকা সভ্যতার ‌‘মাচু পিচু’ আরও বেশি পুরোনো

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
বিশ্ব
মাচু পিচু
মাচু পিচু
‘মাচু পিচু’ পেরুর ইনকা সভ্যতার অন্যতম নির্দশন। এ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনটি দুই পর্বতের মাঝে অবস্থিত। দুইশ’র মতো পাথরের কাঠামো রয়েছে সেখানে। এখনো ভালো রয়েছে গ্রানাইটে তৈরি এর দেয়ালগুলো। ভঙ্গুর পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এর ছাদগুলো। যার ফলে অনেক আগেই ছাদ নষ্ট হয়েছে।

সম্প্রতি ‘মাচু পিচু’ সম্পর্কিত এক গবেষণায় নতুন তথ্য উঠে এসেছে। একদল গবেষক রেডিওকার্বন পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখেছেন, মাচু পিচু যে সময়ের বলে ধারণা করা হতো, তার চেয়ে অন্তত কয়েক দশক আগেই এটি ব্যবহার হয়েছে।

মঙ্গলবার এন্টিকিউটি জার্নালে নতুন এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানথ্রোপলজির প্রফেসর রিচার্ড বার্জার।

প্রফেসর বার্জার দাবি করেন, গবেষণাটি বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। গবেষণায় মাচু পিচুর নির্মাণ নিয়ে এবং এটি কখন ব্যবহার হয়েছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

গবেষকরা জানান, মানুষ জেনে এসেছে ১৪২০ থেকে ১৫৩০ সালের মধ্যে এই দুর্গটি ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু মাচু পিচুর নির্মাতা সম্রাট পাচেকুটি ধারণার চেয়ে আগেই ক্ষমতায় আরোহণ করেছিলেন। এর অর্থ হলো তিনি আরও আগে বিজয়ী হয়েছেন। আর এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা সহজ হয়, ইনকা সাম্রাজ্য কিভাবে প্রাক-কলম্বিয়ান আমেরিকা সবচেয়ে বড় ও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে।

ঐতিহাসিক নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাচু পিচু ১৪৪০ কিংবা ১৪৫০ সালে নির্মাণ হয়েছে। তবে নতুন গবেষণায় তার অনেক আগেই সেখানে মানুষের বসবাস ছিল বলে জানা গেছে।

প্রফেসর বার্জারের নেতৃত্বাধীন গবেষক দলটি তবে সেখানে পাওয়া ২৬টি মরদেহের দেহাবশেষ বিশ্লেষণ করেছেন। দেহাবশেষগুলো ১৯১২ সালের। ফলে নতুন গবেষণা বলছে, প্রচলিত ধারণার চেয়েও অনেক বেশি পুরোনো মাচু পিচু।
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/50641
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ