Printed on Sun May 09 2021 4:00:19 AM

দুই হাজার বছরের পুরনো আফ্রিকার রহস্যময় ভাস্কর্য!

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
বিশ্ব
পুরোনো
পুরোনো
সাহারা অধ্যুষিত আফ্রিকায় নোক ভাস্কর্যগুলোর প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য অনেক। আফ্রিকান শিল্পের প্রাচীন নিদর্শনের অন্যতম ২ হাজার বছরের বেশি পুরনো টেরাকোটার এই ভাস্কর্যগুলো। কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এই ভাস্কর্যগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল প্রত্নতাত্ত্বিকদের আছে তা আজও রহস্য। গবেষকদের মতে, এগুলো বিভিন্ন ধর্মীয় কাজ বা উপাসনায় ব্যবহার হতো।

নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলে জস উপত্যকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নাম থেকেই এসেছে নোক নামটি। ১৯২৮ সালে টিন খনির শ্রমিকরা সেখানে প্রথম ভাস্কর্যের সন্ধান পান। ২০০৫ সাল পর্যন্ত জার্মান এবং নাইজেরিয়ান প্রত্নতাত্ত্বিকরা ওই এলাকার দু’শোটি জায়গায় খনন কাজ পরিচালনা করেন।

লালচে বাদামি ভাস্কর্যগুলো যখন মাটির নীচ থেকে বের করা হয়, প্রত্নতাত্ত্বিকরা তখন এটিকে সংরক্ষণের কাজ শুরু করেন। ভাস্কর্যের পাশাপাশি নানা রকম যান, বাসন-পত্র এবং গহনা সংগ্রহের প্রতিও আগ্রহ বেড়ে যায় তাদের। তারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে অনেকেই নাইজেরিয়ার অতীত ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

নোক

ভাস্কর্যগুলোর বিশালাকার মুখমণ্ডল এবং ত্রিকোণাকৃতি চোখ আসলেই অদ্ভুত। এদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আছে কারো দাড়ি, কারো কেশ, গহনা, কারো বা মাথা ঢাকা। কিছু ভাস্কর্য দেখলে বোঝা যায় যে এগুলো মানুষের, কয়েকটি জন্তুর এবং পৌরাণিক জীবের যেমন অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক পশু।

বিংশ শতাব্দীতে যখন প্রথমবারের মতো ইউরোপে নোক ভাস্কর্য আসে, তবে শৈল্পিক বিপ্লব ঘটে যায়। পল গগিন, পাবলো পিকাসোর মতো বিখ্যাত শিল্পীদের অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায় এই ভাস্কর্যগুলো। তখন তারা এই ভাস্কর্য অনুসরণে বিভিন্ন শিল্পকর্ম তৈরি করেন।

বিশ্বের সংগ্রাহকদের একটা বড় অংশ এখন ভাস্কর্য সংগ্রহের প্রতি আগ্রহী। প্যারিস, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনের বাজারে এখন নোক ভাস্কর্যের বেশ চাহিদা। এমনকি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জাদুঘরগুলোও নোক ভাস্কর্য রাখার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/37021
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ