Printed on Sat Nov 28 2020 4:22:18 AM

শতবর্ষী সেন্ট নিকোলাস উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য

তৌহিদুর রহমান
সারাদেশভিডিও সংবাদ
সেন্ট নিকোলাস
সেন্ট নিকোলাস
গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী গ্রামে অবস্থিত ইতিহাস-ঐতিহ্যে ঘেরা এক বিদ্যাপিঠের নাম সেন্ট নিকোলাস উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত এই স্কুলটির নামকরণ ইতালীয় খ্রিষ্টান ধর্মযাজক সাধু নিকোলাসের নাম অনুসারে। ঐতিহাসিক এই বিদ্যালয়ের কৃতিসন্তান ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ। চলতি বছরই বিদ্যালয়টির শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি খ্রিষ্টান মিশনারি সংগঠন  ক্রুশ সন্ন্যাস সংঘ পরিচালিত একটি ক্যাথলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের জন্য উন্মুক্ত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মুসলিম।

বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে হলেও পাঠদান শুরু হয় ১৯১০ সাল থেকে। তখনকার সময় নাগরীতে পুর্তুগীজ পুরোহিতদের পৃষ্টপোষকতায় এবং তৎকালীন জিলা বোর্ডের সামান্য অনুদানে, একটি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু হয়। সেখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণি প্রর্যন্ত পড়াশোনা চলতো। তখন প্রধান শিক্ষক ছিলেন বাবু।

বিদ্যালয়ের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সেই সময় একমাত্র কালীগঞ্জ ছাড়া ১৫-২০ মাইলের মধ্যে কোন বিদ্যালয় ছিলোনা। তাই এরপথচলা ছিলো খুব কঠিন। কারণ নাগরী বর্তমানে সমৃদ্ধশালী মনে হলেও ১০০ বছর পূর্বে ছিলো একটি ছোট দ্বীপের মত। তবুও গ্রাম বাংলার প্রত্যন্ত এই অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে  দিতে নাগরী চার্চ কর্তৃপক্ষ ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের ১লা সেপ্টেম্বর একে নিম্ন মাধ্যমিক ইংরেজি বিদ্যালয়ে উন্নীত করেন ।

১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে নিম্ন মাধ্যমিক ইংরেজি বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে কোন ছাত্র পাওয়া যায়নি। শুধু ৫ম শেণিতে ৫ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৭ জন, ৩য় শেণিতে ১৩ জন, ২য় শ্রেণিতে ৬ জনসহ মোট ৩১ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। ঐ বছর প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয় ৫২ জন স্টুডেন্ট। যারমধ্যে স্থানীয় খ্রীষ্টান ছাত্র ছিল ৩১ জন, হিন্দু ছাত্র ছিল ৩৩ জন এবং মুসলমান ছাত্র ছিল ১৯ জন।

তৎকালীন St.Nicholas Middle English School এর পরিচালক কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন ফাদার জে, জারকাতো। তার আপ্রাণ চেষ্টার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্টানটির অবস্থান একটি পূর্ণাঙ্গ হাই স্কুলের উন্নয়নের পূর্বাবস্থায় নিয়ে আসেন। সে সময় এ অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা মোটেও ভালো ছিলনা। বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া কোন যোগাযোগ ছিলনা। তবু বিদ্যালয়টির ছিলো পাকা দালান।

১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যালয়েটিতে ছাত্র বেতন হার ছিল ৬ষ্ঠ শ্রেণির ১ টাকা, ৫ম শ্রেণি ১৪ আনা, ৪র্থ শ্রেণি ১২ আনা, ৩য় শ্রেণি ১২ আনা, ২য় শ্রেণি ৮ আনা, ১ম শ্রেণি ৪ আনা। ছাত্রেদের দেয়া বেতনের ভিত্তিতে মাসিক আদায় হতো মাত্র ২০ টাকা। কিন্তু বিদ্যালয় পরিচালনায় তখন মাসিক ব্যয় হতো ৮০ টাকা। বাকি টাকা বহন করতো নাগরী মিশন কর্তৃপক্ষ। এর পর আরও উদ্মম নিয়ে চলে শিক্ষা কার্যক্রম। ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে এসে ১ম শ্রেণিতে ৬১ জন ছাত্র ছিল, তার মধ্যে ১ জন ফ্রি এবং বাকী ৬০ জনই ছিল হাফ ফ্রি।

এত সুযোগ দেয়ার পরও ১৯১৯ খ্রীষ্টাব্দে এসে বিদ্যালয়টির ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ছাত্র ছিলো মাত্র ৩ জন। এ অল্প সংখ্যক ছাত্রের উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য মিশন কর্তৃপক্ষ Father- বি, ডি কুনহা ২ জানুয়ারী ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে একটি পূর্ণাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নিত করেন। পরে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেন বাবু ধীরেন্দ্র নাথ দে।
তৎকালীন সময়ে বিদ্যালয়টির ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং সরকারী স্বীকৃত ও নির্দেশিত নিয়মে একটি পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন ফাদার বি, ডি কুনহা। বিদ্যালয়টি সরকারী স্বীকৃতি লাভ করে ১৯২১ খ্রীষ্টাব্দে।

১৯২৩ সালে সর্বপ্রথম সেন্ট নিকোলাস উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা মেট্টিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। পরীক্ষার কেন্দ্র ছিলো নারায়ণগঞ্জ। ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন প্রথম বিভাগে এবং ৬ জন দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেন। ১৯২৪ খ্রীষ্টাব্দে পরীক্ষা দেয় ১৬ জন। তাদের মধ্যে প্রথম বিভাগে পাশ করে ৭ জন এবং দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করে ৬ জন ।

প্রথম থেকেই এ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষা এবং ছাত্রদের মধ্যে সার্বক্ষণিক ইংরেজিতে কথা বলার উপর জোর দেয়া হতো। দেশ বিভাগের পূর্ব পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা শিক্ষক এনে, বিদ্যালয়ে শিক্ষাদানের মান উন্নয়নের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তৎকালীন পর্তুগীজ মিশন কর্তৃপক্ষ।

ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টিতে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধি ও শরীর চর্চার জন্য চালু রয়েছে সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিতর্ক, স্কাউটিংসহ নানাবিধ শিক্ষা কার্যক্রম। ক্রীড়াঙ্গনেও রয়েছে সদর্পে বিচরণ।

জাতীয় পর্যায়ে প্রত্যেকটি খেলার ব্যবস্থা রয়েছে বিদ্যালয়টিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য খেলার মধ্যে রয়েছে-ফুটবল, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, হ্যান্ডবল, ভলিবল ও টেবিলটেনিস। রয়েছে বিশাল একটি মাঠ। বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিসের জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। প্রতিটি খেলায় জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে এই স্কুলের ছাত্ররা।

বিশেষ করে হ্যান্ডবলে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ, বাস্কেট বলে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন, ঢাকা ও এর বাইরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ছাত্রদের অনুশীলন করাতে রয়েছে আলাদা স্পোর্টস টিচার। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও বেশ ডাক নাম রয়েছে বিদ্যালয়টির।

স্কুলে স্কাউট কার্যক্রম আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক। স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে ছাত্ররা যেমন চরিত্র গঠনের নিয়ামক খুঁজে পাচ্ছে অন্যদিকে সেবামূলক কাজ দ্বারা স্কুলের সুনাম আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। পেয়েছে প্রেসিডেন্ট এওয়ার্ডও। রয়েছে একজন সুদক্ষ স্কাউট শিক্ষক।

বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে বাস্তব সম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে রয়েছে একটি আধুনিক বিজ্ঞানাগার। গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে সময়ের চাহিদা পূরণের যথাসম্ভব উপকরণ রয়েছে এই বিজ্ঞানাগারটিতে।

আর সব ক্লাসের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি শিক্ষায় জ্ঞান বাড়ানোর জন্য রয়েছে একটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব। যেখানে ৩০টি কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য ও প্রযুক্তির ধারনা দেয়া হয়।

ছাত্রদের মেধা বিকাশের জন্য রয়েছে পাঠাগার। শিক্ষার্থীরা এখান থেকে বই সংগ্রহ করে অথবা টিফিনের ফাকে বসে বই পড়ার সুযোগ পায়। পাঠাগার পরিচালনায় একজন শিক্ষককে সহযোগীতা করেন কয়েকজন মেধাবী ছাত্র। বাংলা ও ইংরেজি সংবাদপত্র পাঠের সুযোগও রয়েছে পাঠাগারটিতে।

সেন্ট নিকোলাস উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় সংঙ্গীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, রচনা, উপস্থিতবক্তৃতা্, অভিনয় ও বিতর্ক প্রতিযোগীতার। এছাড়া আন্ত:স্কুল বিজ্ঞান, ভূগোল, কম্পিউটার, গার্হস্থ্য, কৃষি মেলার আয়োজন করা হয়।

সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহু গুণীব্যাক্তি লেখা পড়া করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন এই বিদ্যালয়ের ছাত্র। তবে এই স্কুলে শুধু ক্লাস সেভেনে পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। তখনকার সময়ে যাতায়াত ব্যবস্থা খারাপ ও স্কুল থেকে বাড়ির দূরত্ব বেশি থাকায় ছিলেন স্কুল হোস্টেলে।

তাজউদ্দীন আহমদ ছাড়াও এই বিদ্যালয়ের ৬৬জন ছাত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাগরী ইউনিয়নের ধনুন গ্রামের রমিজ মোল্লা। তিনি মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামীও ছিলেন। এছাড়া স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সদস্য ও বিপ্লবী পতাকা উত্তলনে অংশ গ্রণকারী ছাত্রলীগ নেতা-চিত্ত ফ্রান্সিস রিবেরু অন্যতম।

বিদ্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যে জানাগেছে, প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষার মানের শীর্ষে অবস্থান করছে স্কুলটি। ২০১৭ সালে উপজেলা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন কমিটি বিদ্যালয়টিকে,,,, শেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

বর্তমানে স্কুলটিতে ছাত্রের সংখ্যা ৮ শতাধিক। এর বিপরিতে সন্ন্যাস ব্রত নেয়া ৫জন ব্রাদার, ১৭জন শিক্ষক ও ৫জন শিক্ষিকা ছাত্রদের পড়িয়ে থাকেন। প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে ষষ্ঠ থেকে নবম শেণীতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

বিদ্যালটির নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিজ্ঞান বিভাগ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পড়াশোনার সুযোগ। প্রতি বছর এই বিদ্যাপিঠ থেকে জে.এস.সি ও এস.এস.সি’তে প্রায় ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়।

স্কুলটির বেশিরভাগ ছাত্রই স্থানীয়। তবে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও আসেন শিক্ষার্থীরা। দূর দূরান্ত থেকে আসা ছাত্রদের জন্য রয়েছে একটি নান্দনিক আবাসিক ভবন। এই ছাত্রাবাসে থেকে প্রায় ১০০জন মেধাবি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন।

এছাড়াও যেসব খ্রিস্টান শিক্ষার্থী ব্রাদার হিসেবে সন্ন্যাস ব্রত নিতে আগ্রহী,,,, তাদের জন্য রয়েছে আলাদা একটি আবাসস্থল। এখানে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী সন্ন্যাস ব্রত নেয়া প্রশিক্ষণ নেয়। এসব শিক্ষার্থীরা এখানে সন্ন্যাস ব্রত জীবনের প্রশিক্ষণ নেয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বাগান পরিচর্যা, সবজির চাষাবাদ করে থাকেন।

শতবর্ষে এসে ২০২০ সালে ঐতিহ্যবাহী এই মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি শুরু করেছে কলেজ শাখার কার্যক্রম। তাই সেন্ট নিকোলাস হাই স্কুল নামের সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নাম এখন সেন্ট নিকোলাস স্কুল এন্ড কলেজ। হলিক্রস ব্রাদারদের দ্বারা পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ১৫ জুন কলেজের অনুমোদন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনীয়নে এটিই একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,,,, যেটি একশ বছরে এসে স্কুল থেকে কলেজ শাখার অনুমোদন পেয়েছে। শতবর্ষে এসে কলেজের অনুমোদন পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট মাঝে বিরাজ করছে আনন্দ। স্থানীয়দের মাঝেও এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে। সেন্ট নিকোলাস স্কুল এন্ড কলেজের বর্তমান প্রিন্সিপাল,,, ব্রাদার প্রদীপ লুইস রোজারিও সিএসসি। তিনি নিজেও এই স্কুলের ছাত্র ছিলেন।

ঐতিহ্যবাহী স্কুল হিসেবে ১০০ বছর ধরে এই বিদ্যালয়টি শিক্ষার মান উন্নয়ন, নৈতিক শিক্ষার প্রসার ও নিয়ম শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/23511
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2020 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ