Printed on Thu Dec 02 2021 9:31:29 AM

এয়ার পকেট কি ? কৌতুহল সাধারন মানুষের

সারাদেশ
নিয়ামুল আজিজ সাদেক: বুড়িগঙ্গায় ডুবে যাওয়া মনিং বার্ড থেকে ১৩ ঘন্টা পর উদ্ধার হয় জীবিত একজন। এ নিয়ে কৌতুহলের অন্ত নেই সাধারন মানুষের। অনেকেই মনে করছেন এটা অবাস্তব। আর অনেকে দেখছেন, অলৌকিক ঘটনা হিসেবে। কিন্তু ডুবে যাওয়া কোন জাহাজে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে কি। বিজ্ঞান কি বলে? বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, ছোট্ট এই ডুবে যাওয়া লঞ্চে এয়ার পকেট তৈরি হয়েছিল। যে কারণে বেঁচে যান ঐ ব্যক্তি। নিয়ামুল সাদেক জানাচ্ছেন, কিভাবে কাজ করে এয়ার পকেট?

এয়ার পকেট শব্দটি সাধারণ ব্যবহার করা হয় বিমানের ক্ষেত্রে। বায়ুমণ্ডলে পাশাপাশি চলা বায়ুপ্রবাহ বা শূন্যস্থান যা তৈরি হয় প্রাকৃতিকভাবে। একটি গ্লাস বা পাত্র যদি সোজাসুজি পানিতে ডুবানো হয়, সেখানে বাতাস থাকায় সেটি পুরোপুরি পানিতে পূর্ণ হতে পারেনা। আর এটাই হলো এয়ার পকেট। এ ধরনের এয়ার পকেটে আটকে থাকা বাতাসে অক্সিজেনের উপস্থিতি কারণে ছোট কোনো প্রাণীর বেচে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

বিশ্বের অনেক দেশেই সাগরে জাহাজডুবির পরেও ওই জাহাজে থাকা কিছু মানুষের প্রাণ বেঁচে গেছে এই এয়ার পকেটের কারণে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন জানায়, ২০১৩ সালে নাইজেরিয়ার একটি কোম্পানি ওয়েস্ট আফ্রিকান ভেঞ্চারস এর একটি লাইটার ভ্যাসেল সমুদ্রে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ওই ভেসেলে তৈরি হয় একটি এয়ার পকেট। সে কারণে ওই ভ্যাসেলের এয়ার পকেটে এক ব্যক্তি বেচে ছিলো তিন দিন। অর্থাৎ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পর ভ্যাসেল থেকে ওই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয় শুধুমাত্র এয়ারপকেট তৈরি হওয়ার কারণেই।

মঙ্গলবার ময়ূর লঞ্চের ধাক্কায় মর্নিং বার্ড ডুবে যাওয়ার পর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা টানা অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৩২ জনের মরদেহ। আর ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে এয়ার পকেট তৈরি হওয়ায় ১৩ ঘণ্টা সেখানে আটকে থাকার পর জীবিত উদ্ধার করা হয় সুমন বেপারি নামের একজনকে।
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/7116
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ