Printed on Wed May 25 2022 4:34:49 AM

ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী গণধর্ষণের শিকার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
সারাদেশ
গণধর্ষণের শিকার
গণধর্ষণের শিকার

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গণধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রুহিয়া থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় বলেন, ৩১ জানুয়ারি সোমবার উপজেলার ঢোলারহাট ইউনিয়নের আরাজি গ্রামের হারাগাছ পাড়া এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এদিকে ১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার ঐ শিক্ষার্থীকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজন ও পুলিশ সদস্যরা।


ধর্ষণের শিকার ঐ শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, গত সোমবার রাতে ফোন করে কৌশলে আমার মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায় সুজন ও আশরাফুল নামে দুই যুবক। এরপর তারা আমার মেয়েকে একটি মুরগীর খামারের ভেতরে নিয়ে যায় এরপর সেখানে থাকা সুজন ও আশরাফুলের বন্ধু বিপ্লব, আরিফসহ আরও চার-পাঁচজন মিলে আমার মেয়েকে গণধর্ষণ করে। মধ্যরাতে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে পরে। এরপর ঐ ধর্ষকরা আমার মেয়েকে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।


চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধর্ষণের শিকার ঐ শিক্ষার্থী বলেন, সুজনের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে সুবাদে সোমবার রাতে সুজন আমাকে ফোন দিয়ে বাড়ির বাহিরে আসতে বলে। বাড়ির বাহিরে আসা মাত্রই সুজন ও তার বন্ধু আশরাফুল আমাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে উঠিয়ে একটি মুরগীর খামারে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাদের বন্ধু বিপ্লব, আরিফসহ আরও চার-পাঁচজন মিলে আমার উপর পাষবিক নির্যাতন করে। আমি এ ঘটনায় বিচার চাই।


মেয়েটির সেই প্রেমিক সুজনের বাড়ি সদর উপজেলার আক্চা ইউনিয়নের পুরাতন ঠাকুরগাঁওয়ের দেবিগঞ্জ গ্রামে। সুজন ঠাকুরগাঁও ইসলামনগর হাইস্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্র।


স্বজনরা জানান, স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পর মঙ্গলবার রুহিয়া থানায় মেয়েকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশের সহায়তায় মেয়েটিকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।


হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ রকিবুল আলম চয়ন বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঁচরের দাগ রয়েছে। পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে বলা যাবে এটি ধর্ষণ না অন্যকিছু। বর্তমানে মেয়েটিকে সুস্থ করা নিয়ে আমরা কাজ করছি।


রুহিয়া থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় বলেন, মেয়েটির কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই তথ্যের সুত্র ধরে আমরা আসামীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছি। সেই সাথে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলা হযেছে। এখন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


ভয়েসটিভি/আরকে
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/65467
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2022 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ