Printed on Sat Sep 25 2021 9:28:59 AM

জাপান থেকে এলো ৭ লাখ ৮১ হাজার ডোজ টিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয়
জাপান থেকে এলো ৭ লাখ ৮১ হাজার ডোজ টিকা
জাপান থেকে এলো ৭ লাখ ৮১ হাজার ডোজ টিকা
জাপান থেকে দেশে এসে পৌঁছেছে কোভ্যাক্সের আওতায় অ্যাস্ট্রেজেনেকার ৭ লাখ ৮১ হাজার ডোজ টিকা। ২১ আগস্ট শনিবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার চতুর্থ চালান এসে পৌঁছায়।


শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


স্বাস্থ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ৭ কর্মকর্তা বিকাল ৩টার দিকে টিকার চালান গ্রহণ করতে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করেন।


এ সময় জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের পক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব জসিম উদ্দিন খান বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।


জাপান বাংলাদেশকে ৩০ লাখ ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কোভ্যাক্সের আওতায় গত ২৪ জুলাই জাপান থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টিকার প্রথম চালান ঢাকায় আসে। এরপর ৩১ জুলাই ৭ লাখ ৮১ হাজার ৩২০ টিকার দ্বিতীয় চালান ও গত ২ আগস্ট ৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টিকার তৃতীয় চালান আসে।


সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার ১০০ ডোজ টিকা এসেছে।


এ বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড টিকা দিয়ে। সেরামের সঙ্গে তিন কোটি টিকার চুক্তি হয় বাংলাদেশের।


প্রতিমাসে ৫০ লাখ টিকা আসার কথা ছিল। চুক্তির আওতায় গত ২৫ জানুয়ারি প্রথম চালানে সরকারের কেনা টিকার ৫০ লাখ ডোজ আসে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা এই টিকার দ্বিতীয় চালানে ২৩ ফেব্রুয়ারি আসে ২০ লাখ ডোজ। এই দুইবারের টিকার বাইরে ভারত সরকাররের টিকা রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়াতে সেরাম থেকে চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ এখনও এই টিকা পায়নি।


তবে ভারত সরকারের উপহার হিসেবে ২১ জানুয়ারি ২০ লাখ ডোজ এবং ২৬ মার্চ ১২ লাখ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা এসেছে।


বাংলাদেশ করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় ১৩ কোটির বেশি মানুষকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে। কোভ্যাক্স থেকে ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ।


কোভ্যাক্স-এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ছাড়াও উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন ও দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।


এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।




ভয়েস টিভি/ এএন
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/51861
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ