Printed on Sat Nov 27 2021 5:08:56 PM

যেসব বিশ্ব নেতারা কোনোদিন পচবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বভিডিও সংবাদ
পচবেন
পচবেন
একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার শরীর কতদিনই বা অক্ষত থাকে। আবার অক্ষত রাখার জন্যও মানুষ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে। কিন্তু কেনোই বা অক্ষত ভাবে রেখে দেয় একটি প্রাণহীন দেহ। তবে বিশেষ কোনো কারণে, বিশেষ কোনো ব্যাক্তিদের দেহ'ই এভাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। আজ জানাবো এমন কয়টি অক্ষত দেহের কথা।

বিশ্বের কিছু কিছু দেশের নেতাদের মৃত্যুর দীর্ঘ দিন পরও এখনও তাদের চেহারা অবিকৃত আছে। তাদের বিশেষ কর্ম ও কৃতিত্বের কারণে আজও অক্ষত অবস্থায় সংরক্ষণ করে রেখে দেয়া হয়েছে ইতিহাস ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য।

চেয়ারম্যান মাও : গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং ২০ শতকের খুব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন৷ চীন পরাশক্তি হয়ে ওঠে তাঁর হাত ধরেই৷ তবে সাত কোটি মানুষের মৃত্যুর জন্যও দায়ী করা হয় তাঁকে৷ মাও ১৯৭৬ সালে মারা যান৷ মৃত্যুর পরও অবিকৃত আছে তাঁর চেহারা৷ বেইজিংয়ের এক রাজকীয় সমাধিতে ফর্মালডিহাইড দিয়ে সেভাবেই রাখা হয়েছে মৃতদেহ৷

কিম ইল সাং : উত্তর কোরিয়ার প্রথম নেতা কিম ইল সাং-কে ইতিহাস মনে রাখবে দুই কোরিয়ার যুদ্ধ শুরু করার জন্য৷ উত্তর কোরিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন শুরু করেন তিনি৷ তবে তাতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসেনি৷ সোভিয়েট ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে বিপর্যস্ত হয় উত্তর কোরিয়া৷ ১৯৯৪ সালে ৮২ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান কিম ইল সাং৷ ১০ দিন জাতীয় শোক পালনের পর কুমসুসান প্যালেস অব সান-এ মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়৷

কিম জং ইল: মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে৷ ২০১১ সালে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান তিনি৷ উত্তর কোরিয়ায় ‘চিরন্তন নেতা’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই নেতার মৃতদেহও অবিকল রাখা আছে কুমসুসান প্যালেস অব সান-এ৷

হো চি মিন: ভিয়েতনামের অবিসংবাদিত নেতা হো চি মিন-কে ইতিহাস মনে রাখবে খুব বড় দুটি কারণে৷ তার কারণেই ফরাসি শাসকেরা ভিয়েতনাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল৷ দক্ষিণ ভিয়েতনাম ও মার্কিন সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে উত্তর ভিয়েতনামকে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন তিনি৷ যুদ্ধে জয় অবশ্য দেখে যেতে পারেননি, তার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর৷

লেনিন: লেনিন ছিলেন সোভিয়েট ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি৷ অনেক ইতিহাসবিদ লেনিনকেও কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী মনে করেন৷ ১৯২৪ সালে মারা যান তিনি৷ মৃত্যুর পর মগজ বের করে নিয়ে তার দেহ মস্কোর রেড স্কয়ারে সংরক্ষণ করা হয়৷

 
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/58252
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ