Printed on Sat May 21 2022 5:08:45 AM

‘নেদারল্যান্ডসের চেয়েও বাংলাদেশ এগিয়ে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয়
বাংলাদেশ এগিয়ে
বাংলাদেশ এগিয়ে

নারীর ক্ষমতায়নে নেদারল্যান্ডসের চেয়েও বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে আছে বলে মনে করেন ওই দেশের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব রেনে জোনস।


১১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন।


আশির দশকের প্রথম দিকে বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন রেনে জোনস। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করার পর আবার ২০১৫ সালে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠকের জন্য ঢাকায় এলে পুরনো শহরকে চিনতেই পারেননি তিনি।


জীবনের প্রথম পোস্টিং সম্পর্কে রেনে বলেন, ওই সময়ে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেকে মনে করতো নারী চাকরিজীবীদের জন্য ঢাকা ভালো জায়গা নয়। এখন তা চিন্তাও করা যায় না।


তিনি বলেন, আমার সঙ্গে অনেক শিক্ষিত নারীর পরিচয় ছিল যারা আর্কিটেক্ট, ব্যবসায়ী বা আইনজীবী। এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও একজন নারী যা নেদারল্যান্ডস এখনও পায়নি।


সাবেক ওই কূটনীতিক বলেন, আমি আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছি বাংলাদেশে। সেটা হলো— যা শোনা যায় সব মেনে নেওয়া ঠিক না। সিদ্ধান্তে আসার আগে নিজে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা উচিত।


২০১৫ সালে ঢাকা সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বিস্মিত হয়েছি ঢাকা শহরের ব্যাপ্তি দেখে। আমি গুলশানে থাকতাম, এলাকাটাকে চিনতেই পারিনি। ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম ও অর্থনীতির কলেবর, দুটোই বেড়েছে।



আগামী ৫০ বছরের প্রথম সকাল


১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদকে অবহিত করা হয় যে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, আজকের সকাল আগামী ৫০ বছরের প্রথম সকাল। তিনি বলেন, ৫০ বছর আগে বাংলাদেশকে নেদারল্যান্ডস স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং আমাদের উন্নয়ন পরিক্রমায় পাশে থেকেছে।


দুই দেশের মধ্যে নতুন সম্ভাবনাকে স্বীকার করার সময় হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পানি, সক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নয়ন সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ঢাকা ও হেগ কাজ করতে করছে।


তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে ১৫ জন ডাচ পোলট্রি ব্যবসায়ী ঢাকা সফর করবেন। ৭০টিরও বেশি বাংলাদেশি ডিজিটাল কোম্পানি নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ৩০টিরও বেশি ডাচ এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে।


ওয়েবিনারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী বলেন, দুই দেশ এখন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ছাড়াও কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করছে। ইন্দো-প্যাসিফিকের পরিপ্রেক্ষিতে মেরিটাইম নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বড় বিষয় এবং এটা নিয়ে ঢাকা ও হেগের স্বার্থ রয়েছে। এমন বিষয়ে কথা বলার সুযোগও রয়েছে।


ভয়েসটিভি/আরকে
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/66573
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2022 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ