Printed on Sun May 29 2022 5:41:59 AM

রোমান্টিক ক্রেইজি হিরো কে এই বিজয় দেবরকোন্ডা!

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদনভিডিও সংবাদ
বিজয় দেবরকোন্ডা
বিজয় দেবরকোন্ডা
বিজয় দেবরকোন্ডা,দক্ষিনী সিনেমার মেয়েদের ক্রাস বলা হয় তাকে।রোমান্টিক ক্রেইজি হিরো নামেও তিনি সুপরিচিত।এবার বলিউডে পা রাখতে চলেছেন এই অভিনেতা।

লাইগার সিনেমায় দেখা যাবে তাকে। অর্জুন রেড্ডির ব্যাপক সফলতার পর তিনি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।

সুদর্শন বিজয় ভারতজুড়ে হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় মুখ। নিজের সেই জনপ্রিয়তার কথা বেশ ভালোভাবেই অনূভব করেন বিজয়। আর সেজন্যই এক ধাক্কায় দ্বিগুণ করেছেন পারিশ্রমিক।

মুক্তির অপেক্ষায় থাকা লাইগার সিনেমায় ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন এই অভিনেতা।

শুধু তাই নয়, পুরী জগন্নাথ পরিচালিত ও করোন জোহর প্রজোযিত সিনেমাটির মুনাফাতেও অংশ রয়েছে এই দক্ষীনি তারকার। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ডিয়ার কমরেড সিনেমার জন্য ১০ কোটি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন, আর লাইগার সিনেমায় দ্বিগুন পারিশ্রমিক ২০ কোটি টাকা নিয়েছেন।

সম্প্রতি লাইগার সিনেমার টিজার প্রকাশ হয়েছে,বেশ আলোড়ন তুলেছে বিজয়ের ভক্ত সমাজে। তার বিপরীতে রয়েছে অনন্যা পান্ডে।

এছাড়াও লাইগার ছবিতে বক্সিং কিংবদন্তি মাইক টাইসন একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করবেন।

বিজয় প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তরুণ ভাস্কর দেশ্যাম পরিচালিত প্রণয়ধর্মী পেল্লি চুপুলু সিনেমায়, যেখানে তার বিপরীতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন ঋতু বার্মা।

চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করে এবং ৬৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য তেলুগু চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। সেইসাথে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার তেলুগু অর্জন করে।

বিজয় কিং অব দ্য হিল এন্টারটেইনমেন্ট নামের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মালিক। ।প্রতিষ্ঠানটির অভিষেক চলচ্চিত্র মীকু মাথারামে চাপথে। যা ২০১৯ সালের নভেম্বরে মুক্তি পায়।

ছোট থেকেই জেদি এবং নাছোড়বান্দা বিজয়। মা-বাবা যা বলতেন, পছন্দ না হলে ঠিক তার উল্টোটা করতেন। সে জন্য তাঁকে রাউডি নামে ডাকতেন পরিবারের লোকজন।পরিবারের দেওয়া সেই নামটা আজও বয়ে চলেছেন বিজয়।

হায়দ্রাবাদের অভিজাত এলাকায় ১৫ কোটি টাকা খরচ করে নিজের বাংলো বানিয়েছেন তিনি। নিজের বাড়ির নাম রেখেছেন রাউডি। অথচ জানেন কি বিজয় আদপে এক কৃষক পরিবারের ছেলে।

এমনও দিন ছিল যখন তাঁর বাবা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন,তাঁর জন্য আর টাকা খরচ করা সম্ভব নয়।বিজয়ের বাবা অবশ্য পারিবারিক চাষাবাদের দিকে মনযোগ দেননি।

বরং তিনিই পরিবারের প্রথম ব্যক্তি যিনি বিনোদন জগতের দিকে পা বাড়িয়েছিলেন।অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন কিন্তু শেষে পরিচালনায় থিতু হন। বাবার সেই স্বপ্ন পূরণ করলেন ছেলে বিজয়।

বিজয় উদার এবং সমাজসেবী। প্রায়ই একটা কথা শোনা যায়,সংকটের দিনে মানুষ চেনা যায়। হ্যাঁ সত্যিই তাই ,কোভিড প্যান্ডামিকের কারণে সারাবিশ্বে তৈরি হওয়া সংকট কালে অনেক মহত মানুষের পরিচয় পাওয়া গেছে নতুন করে।

তেমনই একজন মানুষ সুপারষ্টার বিজয় দেবরকোন্ডা।করোনাকালে ১৭ হাজার ৭২৩ মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। মিডল ক্লাস ফান্ড এর মাধ্যমে বিজয় অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করেছেন ।
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/64513
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2022 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ