Printed on Tue Sep 28 2021 8:49:26 PM

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয়
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত
শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম মতিউর রহমানের ৫০তম শাহাদাৎবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। ২০ আগস্ট শুক্রবার

সকালে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিকল্পনা) এয়ার ভাইস মার্শাল এ এইচ এম ফজলুল হক।


তিনি জাতির এই সূর্য সন্তানের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় আয়োজিত মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন এবং শ্রদ্ধাবনত চিত্তে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন।


এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর এয়ার অধিনায়ক এয়ার কমডোর হাসান মাহমুদ খান শহীদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



মতিউর রহমানের ৫০তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মিলাদ মাহফিলে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।


এসময় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে এই বীর সেনানীর গৌরবোজ্জ্বল আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। মিলাদ মাহফিলে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, বিমানসেনা ও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



এছাড়াও অনলাইনে বিমান বাহিনী পরিচালিত সকল স্কুল ও কলেজেও শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের জীবনের উপর আলোকপাত ও তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।



বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের এই দিনে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের খুব কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। আর নিজ আসন থেকে ছিটকে পড়ে শহীদ হন মতিউর রহমান। তার মৃতদেহ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধ মাইল দূরে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।


মুক্তিযুদ্ধে মতিউরের অসম সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে সর্বোচ্চ জাতীয় খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করে।


১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্ম নেন জাতির এ বীরসেনানী। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পিএএফ কলেজ থেকে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমিশনপ্রাপ্তির পর তিনি করাচির মৌরিপুর (বর্তমান মাসরুর) এয়ার বেজের ২ নম্বর স্কোয়াড্রনে জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসেবে নিযুক্ত হন। এখানে তিনি টি-৩৩ জেট বিমানের ওপর কনভার্সন কোর্স সম্পন্ন করেন।


এছাড়া ইরানের রানী ফারাহ দিবার সম্মানে পেশোয়ারে যে বিমান মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, তাতে তিনিই একমাত্র বাঙালি পাইলট ছিলেন।


পাকিস্তান সরকার মতিউর রহমানের মরদেহ করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে সমাহিত করেছিল। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ২৪ জুন মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।


পরে ২৫ জুন শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পূর্ণ মর্যাদায় মৃতদেহটি পুনরায় দাফন করা হয়।





ভয়েস টিভি/ এএন
যোগাযোগঃ
ভয়েস টিভি ৮০/৩, ভিআইপি রোড, খান টাওয়ার, কাকরাইল,
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৮৫৩০
https://bn.voicetv.tv/news/51745
© স্বত্ব ভয়েস টিভি 2021 — ভয়েস টিভি
শাপলা মিডিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ সংবাদ